পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ভূমি রেকর্ড, RoR (Records of Rights), এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া ল্যান্ড রেকর্ডস মডার্নাইজেশন প্রোগ্রাম (DILRMP)

ভূমি সংক্রান্ত তথ্যের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ডিজিটাল ইন্ডিয়া ল্যান্ড রেকর্ডস মডার্নাইজেশন প্রোগ্রাম (DILRMP)-এর আওতায় রাজ্যে ভূমি রেকর্ড ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে যাতে নাগরিকরা ঘরে বসেই জমির মালিকানা, দখল ও অন্যান্য তথ্য সহজে জানতে পারেন। রাজ্য সরকারের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে।

BHUNAKSHA বাস্তবায়ন সংক্রান্ত অর্থ বরাদ্দ

NIC (ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার) কর্তৃক BHUNAKSHA সফটওয়্যার বাস্তবায়নের জন্য জমা দেওয়া প্রস্তাবনার ভিত্তিতে আসাম সরকারের রাজস্ব সার্কেল অফিসে ডিজিটাইজড ক্যাডাস্ট্রাল ম্যাপ সফটওয়্যার কার্যকর করার জন্য ₹৪৮,৬৫,১৪৮/- টাকা অনুমোদন করা হয়েছিল (পত্র নং RRG.77/2015/11, তারিখ: ২৫-০৬-২০১৬)। এই অনুমোদিত অর্থের মধ্যে ₹৩৭.৫০ লক্ষ NICSI-কে কর্মী নিয়োগের জন্য অগ্রিম প্রদান করা হয়।

NIC-এর সিনিয়র টেকনিক্যাল ডিরেক্টর এবং ভূ-নকশা প্রকল্পের ইনচার্জ শ্রী হেমন্ত সইকিয়া জানান যে এই প্রকল্পের জন্য ২১ জন সহকারী নির্বাচিত করা হয়েছে।

BHUNAKSHA অ্যাপ্লিকেশনের বৈশিষ্ট্যসমূহ

ভূমির মালিকানা এবং সম্পত্তির বিবরণ জানার জন্য নাগরিকদের সহায়তার উদ্দেশ্যে, BHUNAKSHA অ্যাপে নিম্নলিখিত সুবিধাগুলি পাওয়া যায়:

রাজ্য/সংঘরাজ্যের ভূমি রেকর্ড অনলাইনে কীভাবে দেখবেন:

ভূমি রেকর্ড দেখতে নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করুন:

  1. সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারি ভূমি রেকর্ড পোর্টালে যান।
  2. ‘Jamabandi’, ‘RoR’, ‘Bhulekh’ ইত্যাদি পরিষেবার মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় অপশন নির্বাচন করুন।
  3. জেলা, মহকুমা, গ্রাম, দাগ নম্বর অথবা খতিয়ান নম্বর প্রদান করুন।
  4. ‘Search’ বা ‘View Record’ বোতামে ক্লিক করুন।
  5. প্রদর্শিত তথ্য পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে ডাউনলোড বা প্রিন্ট করুন।

পশ্চিমবঙ্গের ভূমি রেকর্ড পোর্টাল

পশ্চিমবঙ্গের জন্য সরকারি ভূমি রেকর্ড পোর্টাল হল:
বাংলার ভূমি (BanglarBhumi)https://banglarbhumi.gov.in

এই পোর্টালে আপনি নিম্নলিখিত পরিষেবা পেতে পারেন:

উপসংহার

BHUNAKSHA ও DILRMP-এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যে ভূমি রেকর্ডের ডিজিটাল রূপান্তর হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ খুব সহজেই নিজেদের সম্পত্তির তথ্য দেখতে পারছেন, জমি সংক্রান্ত বিবাদের সংখ্যা কমেছে এবং সরকারি প্রশাসনিক কাজকর্মে স্বচ্ছতা এসেছে। ভবিষ্যতে আরও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই পরিষেবা আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা যায়।